শিরোনাম :
যে চুক্তি দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি করেছে দেশকে বিশ্বকাপে টানা ব্যর্থ ইতালি, গার্দিওলাকেই চান বোনুচ্চি ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস লালমাইয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস -২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত দেশজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট টেলিযোগাযোগ খাতে, নেটওয়ার্ক সচল রাখা যাচ্ছে না সর্বত্র নাটোরে নববর্ষ উদযাপন ও তরুণ দলের নতুন কমিটি ঘোষণা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ছুরিকাঘাতে এক নারী নিহত, আহত ৩ মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ভ্রাম্যমান আদালতে মাটিকাটায় ব্যবহৃত এস্কেভেটর অকার্যকর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ, ডিসির আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত টাঙ্গাইলে র‍্যাবের মাদক বিরোধী অভিযানে ৯৬৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

রাজধানীর পলাশীতে আবরারের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে অনেকের গাত্রদাহ দেখেছি’

রাজধানীর পলাশীতে আবরারের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে অনেকের গাত্রদাহ দেখেছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি স্মরণে বুয়েটসংলগ্ন পলাশী গোল চত্বরে ‘আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ’ নির্মাণের ব্যয় নিয়ে অনেকের গাত্রদাহ ও সমালোচনা দেখেছি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ কায়েমে যারা ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে, তাদের স্মরণ করে স্থাপনা নির্মাণে শত শত কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। তখন কাউকে টুঁ শব্দ করতে দেখিনি। সেগুলো উন্নয়ন হিসেবে দেখা হয়েছে। অথচ আমরা যখন আবরার ফাহাদের স্তম্ভ করতে গেলাম, তখন অনেকের গাত্রদাহ ও সমালোচনা দেখলাম।’

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর পলাশীতে ‘আগ্রাসনবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘অথচ এটি (আবরার ফাহাদকে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ) নির্মাণ করতে মাত্র ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে এবং রাস্তা মেরামতসহ পারিপার্শ্বিক সংস্কার কাজ নিয়ে মোট খরচ দাঁড়াবে ৮৫ লাখ টাকা। আমরা যখন আবরার ফাহাদকে স্তম্ভ করতে গেলাম, তখন এই ব্যয় নিয়ে অনেকের অনেক গাত্রদাহ ও সমালোচনা দেখেছি। এর পেছনে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যখন জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিস্তম্ভ বা ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই স্মরণ রাখার জন্য এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাই, তখন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, ফ্যাসিবাদী স্টাবলিশমেন্ট ও সুশীল সমাজের রিপোর্ট ও সমালোচনার মুখে পড়ি।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যে জাদুঘর হচ্ছে, সেটার খরচ নিয়ে নানা ধরনের রিপোর্ট ও সমালোচনা আমরা দেখছি। কিন্তু বিগত সময়ে ভাস্কর্য করতে গিয়ে হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে, দুর্নীতি করা হয়েছে, সেটি নিয়ে সুবিধাভোগী স্ট্যাবলিশমেটের কোনো সাড়াশব্দ আমরা দেখি না। ফলে এটাকে কোনোভাবেই অন্য কোনো লেন্সে দেখার সুযোগ নেই। এটা গণঅভ্যুত্থান এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের নায়কদের একধরনের আড়াল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র। এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা সব সময় থাকব।’

আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের সময়ের স্মৃতিচারণ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যেদিন আবরার ফাহাদ শহীদ হন, সেদিন ভোরবেলা আমরা তার শহীদ হওয়ার খবর জানতে পারি। তখন আমরা কয়েকজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছিলাম।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা যোগাযোগ শুরু করি যে এর একটি প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। তখন একটি গুমোট পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। অনেকেই সন্দিহান ছিলেন এই ঘটনার প্রতিবাদ করবেন কি না। অনেকের মন থেকে এই প্রশ্নও এসেছিল যে আবরার ফাহাদ শিবির কি না, যেন শিবির হলে প্রতিবাদ করা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে সময় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিল বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। সিসিটিভি ফুটেজ যেন গায়েব করা না যায় এবং এই ঘটনা যেন ধামাচাপা দেওয়া না যায়, সে জন্য তারা তুমুল প্রতিবাদ গড়ে তোলে। সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করার জন্য বুয়েটের প্রশাসনিক রুমগুলো অবরোধ করে।’

আসিফ বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্য থেকে প্রথম মিছিল নিয়ে বের হই। তারপর অব্যাহতভাবে আবরার ফাহাদের বিচার চেয়ে আন্দোলন চলমান রেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে পলাশী মোড়ে প্রথম আট স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। আগ্রাসনবিরোধী স্তম্ভ নির্মাণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা ভেঙে ফেলা হয়। ভেঙে ফেলা হলেও আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত আট স্তম্ভ বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে ছিল বিগত ৬ বছর। সেই স্তম্ভকে আমরা একই জায়গায় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিয়েছি এবং আজ তা বাস্তবায়ন হয়েছে।’

আসিফ বলেন, ‘এই আট স্তম্ভের কাঠামোর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো এর মূলনীতি। যদি এখানকার সবগুলো মূলনীতি বাস্তবায়নের লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন বা সফল হতে পারেন, তাহলে এই ব-দ্বীপের মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের প্রত্যেক শহীদের শহীদ হওয়ার যে অনুপ্রেরণা, তা এনেছে আবরার ফাহাদের আগ্রাসনবিরোধী লড়াই।’

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com